Shuru
Apke Nagar Ki App…
২ ঘন্টায় ২৫০টি বাড়ি পুড়ে ছাই... লখনউয়ের বেদনাদায়ক কাহিনী। গরীব হলে জীবন কেড়ে নেওয়া হবে। _ভাইরাল _ট্রেন্ডিং _মোটিভেশন _পোস্ট _ভারত ২ ঘন্টায় ২৫০টি বাড়ি পুড়ে ছাই... লখনউয়ের বেদনাদায়ক কাহিনী। গরীব হলে জীবন কেড়ে নেওয়া হবে। _ভাইরাল _ট্রেন্ডিং _মোটিভেশন _পোস্ট _ভারত
বেলডাঙ্গা নিউজ চ্যানেল
২ ঘন্টায় ২৫০টি বাড়ি পুড়ে ছাই... লখনউয়ের বেদনাদায়ক কাহিনী। গরীব হলে জীবন কেড়ে নেওয়া হবে। _ভাইরাল _ট্রেন্ডিং _মোটিভেশন _পোস্ট _ভারত ২ ঘন্টায় ২৫০টি বাড়ি পুড়ে ছাই... লখনউয়ের বেদনাদায়ক কাহিনী। গরীব হলে জীবন কেড়ে নেওয়া হবে। _ভাইরাল _ট্রেন্ডিং _মোটিভেশন _পোস্ট _ভারত
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ২ ঘন্টায় ২৫০টি বাড়ি পুড়ে ছাই... লখনউয়ের বেদনাদায়ক কাহিনী। গরীব হলে জীবন কেড়ে নেওয়া হবে। _ভাইরাল _ট্রেন্ডিং _মোটিভেশন _পোস্ট _ভারত1
- মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভোট প্রচার করলেন সুপারস্টার দেব মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া বিধানসভায় দলের প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচারে এলেন ঘাটালের সাংসদ তথা বাংলার সুপারস্টার দেব। শুক্রবার দুপুরে হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নিয়ামত শেখকে সঙ্গে নিয়ে হরিহরপাড়া কিষাণ মান্ডি থেকে হরিহরপাড়া ফুটবল মাঠ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার রোড শো করেন দীপক অধিকারী (দেব)। তাকে দেখতে সাধারণ মানুষ রাস্তার দুধারে ভীড় জমিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ-এর মধ্যে দিয়েই এদিন দলের প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচার করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের স্টার ক্যাম্পেনার তথা সুপারস্টার দেব।1
- মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভোট প্রচার করলেন সুপারস্টার দেব মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া বিধানসভায় দলের প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচারে এলেন ঘাটালের সাংসদ তথা বাংলার সুপারস্টার দেব। শুক্রবার দুপুরে হরিহরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নিয়ামত শেখকে সঙ্গে নিয়ে হরিহরপাড়া কিষাণ মান্ডি থেকে হরিহরপাড়া ফুটবল মাঠ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার রোড শো করেন দীপক অধিকারী (দেব)। তাকে দেখতে সাধারণ মানুষ রাস্তার দুধারে ভীড় জমিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ-এর মধ্যে দিয়েই এদিন দলের প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচার করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের স্টার ক্যাম্পেনার তথা সুপারস্টার দেব।1
- ভোট প্রচারে কান্দিতে অভিনেতা সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব। শুক্রবার মুর্শিদাবাদে একাধিক প্রচারে অংশ নেবেন দেব। প্রথম কর্মসূচী ছিল কান্দিতে। এদিন কান্দির চড়কতলা মাঠে নামে দেবের হেলিকপ্টার। এরপরই কান্দির তৃণমূল প্রার্থী অপূর্ব সরকারকে সাথে নিয়ে শুরু করেন রোড শো । কান্দির খরসা মোড় থেকে শুরু হয় দেবের প্রচার। ক্ষুদিরাম মুর্তির সামনে দিয়ে, কান্দি বাসস্ট্যান্ড, পেট্রোল পাম্প , বাকবাড়ি সহ বিভিন্ন এলাকায় রোড শো-এ প্রচারে অংশ নেন দেব। দেবকে দেখতে ভির জমান বহু মানুষ।1
- নির্বাচনী জোয়ারে ভাসছে সালার, সুমনের সমর্থনে জনতার ঢল, বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানের ঝোড়ো প্রচার। নির্বাচনী দামামা বাজতেই ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের আনাচে-কানাচে এখন উৎসবের মেজাজ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনের সমর্থনে বৃহস্পতিবার ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের দক্ষিণখণ্ড গ্রামে এক অভূতপূর্ব জনজোয়ার দেখা গেল। মা-বোনেদের শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে প্রার্থীকে যে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়, তা প্রচারের শেষ লগ্নে এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুমন আত্মবিশ্বাসের সাথে জানান, এই স্বতঃস্ফূর্ত জনসমর্থন আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবারের জন্য বাংলার মসনদে আসীন করারই আগাম সঙ্কেত। এদিন বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, ময়দানে তৃণমূলের সাথে কারোর কোনো লড়াই নেই। লড়াই মূলত বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে। বিশেষত কংগ্রেস প্রার্থীকে দলবদলু আখ্যা দিয়ে তিনি মনে করিয়ে দেন, অতীতে ওই ব্যক্তি গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছিলেন, যার যোগ্য জবাব এবার মানুষ ব্যালট বক্সে দেবেন। প্রচারের এই উত্তাপ আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেন বহরমপুরের সাংসদ তথা বিশ্বজয়ী ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। এদিন ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের কুলুড়ি ও একটি পার্শ্ববর্তী গ্রামে এক বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল মিছিলের সাথে হুডখোলা গাড়িতে করে প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার সারেন তিনি। কোথাও কচিকাঁচাদের কোলে নিয়ে আদর, আবার কোথাও মহিলাদের সাথে সৌজন্য বিনিময়ে মেতে উঠে জনসংযোগের এক নতুন নজির গড়েন ইউসুফ। এরপর প্রার্থী সুমন চুনশহর ও উঁজুনিয়া গ্রামে প্রচার চালিয়ে যান এবং প্রতিশ্রুতি দেন যে, জয়ের পর তাঁর প্রধান লক্ষ্যই হবে মানুষের দুয়ারে পৌঁছে কৃতজ্ঞতা জানানো ও উন্নয়নের বাকি কাজগুলি দ্রুত সম্পন্ন করা। সব মিলিয়ে উন্নয়নের নিরিখে সাধারণ মানুষের জোড়াফুল চিহ্নে অগাধ আস্থা ভরতপুরের নির্বাচনী সমীকরণকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।1
- জলঙ্গীতে রাজনৈতিক সমীকরণে বড়সড় ধাক্কা! সাহেবরামপুরে আজ নজিরবিহীন যোগদান কর্মসূচি—প্রায় ১০০ জন কর্মী-সমর্থক (TMC) ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে (CPIM)-এ যোগ দিলেন। এই ঐতিহাসিক যোগদান সম্পন্ন হয় জলঙ্গী বিধানসভার সিপিআই(এম) প্রার্থী -এর হাত ধরে। এলাকাজুড়ে এখন একটাই আলোচনা—বদলের হাওয়া কি তবে বইতে শুরু করেছে সাহেবরামপুরে? 🌪️🚩 স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, এই যোগদান আগামী নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। সমর্থকদের দাবি—মানুষের আস্থা এখন লাল শিবিরের দিকেই বাড়ছে! 💪 জলঙ্গীর প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এমন বাস্তব ও এক্সক্লুসিভ খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক 👍, শেয়ার 🔁 এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না! 🔔 আলোকিত বাংলা সত্যের সাথে মানুষের পাশে1
- সিপিআইএমের ভোট প্রচার নয়, এ যেন একেবারে বিজয় মিছিলের আবহ! জলঙ্গি বিধানসভার ঝাউদিয়া এলাকায় আজ যা দেখা গেল, তা শুধুই প্রচার নয়—উৎসবের মতো এক জনসমুদ্র। মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে শয়ে শয়ে কর্মী-সমর্থকের ঢল নেমেছে রাস্তায়। ছোট থেকে বড়, তরুণ থেকে প্রবীণ—সব বয়সের মানুষ একসাথে পা মিলিয়ে অংশ নিলেন এই বিশাল মিছিলে। প্রার্থী ইউনুস সরকারকে সামনে রেখে গোটা এলাকা যেন লাল রঙে রঙিন হয়ে উঠল। গান-বাজনা, ঢাকের তালে তালে নাচ, আর মানুষের সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতার মধ্য দিয়ে এক অন্যরকম আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। গ্রামের প্রতিটি রাস্তা, প্রতিটি মোড়ে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে এই মিছিলে যোগ দেন, কেউ হাত নেড়ে সমর্থন জানান, আবার কেউ সরাসরি প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলেন। সব মিলিয়ে আজকের এই প্রচার যেন স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—এ শুধু ভোটের লড়াই নয়, মানুষের আবেগ আর অংশগ্রহণে ভরপুর এক বড় আন্দোলন।1
- West Bengal assembly election Opinion Poll_ BJP vs TMC WB Election Survey(1