আগরতলার পর্যটন দপ্তরে পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মিলিত হলেন পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এই সভায় রাজ্যের পর্যটন শিল্পের বিকাশ, নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা, পর্যটন পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং পর্যটকদের জন্য আরও উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন যে ত্রিপুরায় পর্যটন শিল্পের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে বদ্ধপরিকর। বৈঠকে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন পরামর্শ ও সমস্যার কথা গুরুত্ব সহকারে শোনা হয় এবং সেগুলি দ্রুত সমাধানের आश्वासन দেওয়া হয়। অন্যদিকে, সভায় উপস্থিত বিনিয়োগকারীরাও পর্যটন খাতের উন্নয়নে তাঁদের বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ত্রিপুরাকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবাই একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
আগরতলার পর্যটন দপ্তরে পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মিলিত হলেন পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এই সভায় রাজ্যের পর্যটন শিল্পের বিকাশ, নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা, পর্যটন পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং পর্যটকদের জন্য আরও উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন যে ত্রিপুরায় পর্যটন শিল্পের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে বদ্ধপরিকর। বৈঠকে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন পরামর্শ ও সমস্যার কথা গুরুত্ব সহকারে শোনা হয় এবং সেগুলি দ্রুত সমাধানের आश्वासन দেওয়া হয়। অন্যদিকে, সভায় উপস্থিত বিনিয়োগকারীরাও পর্যটন খাতের উন্নয়নে তাঁদের বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ত্রিপুরাকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবাই একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
- ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে স্কুলে এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) চালু করা হলেও, বাস্তব চিত্রে শিক্ষার্থীদের মাথার ওপর একটি নিরাপদ ছাদের ন্যূনতম ব্যবস্থাটুকুও নেই। এমনই এক চরম বৈপরীত্যের চিত্র ধরা পড়েছে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জিরানীয়া মহকুমার বরখা সার্কেলের অধীন টিটিএএএডিসি-র ইন্সপেক্টর অব স্কুল (আইএস) মান্দাই এলাকার ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জেবি স্কুলে। বর্তমানে মান্দাইয়ের এই ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জেবি স্কুলটি অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিদ্যালয়টির পরিকাঠামো এতটাই বিপর্যস্ত যে, বর্ষার মরসুমে বাধ্য হয়ে শিক্ষকদের স্টাফ রুমের ভেতরেই শিক্ষার্থীদের পঠনপাঠনের কাজ চালাতে হচ্ছে।1
- সোনামুড়া মহকুমার অন্তর্গত মোহনভোগ আর.ডি. ব্লক এবং ধনপুর বিধানসভা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে অবস্থিত তেল কাজলা ঝুলন্ত সেতুটি বর্তমানে অত্যন্ত বেহাল ও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। গোমতী নদীর দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। খুব বেশি দিন আগে নয়, অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে এই সেতুর সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সংস্কারের গুণগত মান নিয়ে এখন গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে, কারণ অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যেই সেতুর বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত ও ছিদ্র তৈরি হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে সংস্কারকাজ অত্যন্ত নিম্নমানের ছিল এবং কোটি টাকার সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরও আজ সেতুটি আবারও বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছেছে। এই একটিমাত্র ঝুলন্ত সেতুর ওপর প্রায় ছয়টি পঞ্চায়েতের মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী এবং প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল আরোহী নির্ভরশীল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই সেতু দিয়ে চলাচল করা মানেই নিজের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া, কারণ যেকোনো মুহূর্তে এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। সংস্কারের নামে সরকারি অর্থের অপচয় এবং সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে এমন অবহেলার শেষ কোথায়—এখন সেই প্রশ্নই তুলছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।1
- শিক্ষাক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতে খোয়াইয়ের সুভাষ পার্কে একটি গণঅবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (এসএফআই)। শনিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এসে উপস্থিত হন। এই গণঅবস্থান কর্মসূচি থেকে এসএফআই-এর পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। তাদের এই দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা, শিক্ষার বেসরকারিকরণ বন্ধ করা এবং ক্যাম্পাসে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।4
- সিপাহিজলার চড়িলাম ব্লকের অন্তর্গত চেছুড়িমাই গ্রাম পঞ্চায়েতের বালুয়াছড়ি রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে শনিবার সকালে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন স্থানীয় এলাকাবাসী। বিশেষ করে এলাকার মহিলারা এই দীর্ঘকালীন সমস্যা নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ। বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিগত ২০ বছর ধরে এই রাস্তাটি সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং এর কোনো সুরাহা করা হয়নি। রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বর্ষার দিনে রাস্তাটি এতটাই যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়ে যে জুতো হাতে নিয়ে পথ চলতে হয় এবং ওই অবস্থায় বাজারে যেতে হয়। চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা জানান, রাস্তার এই বেহাল দশার কারণে কোনো আত্মীয়-স্বজনকে নিমন্ত্রণ করলেও তারা এই গ্রামে আসতে চান না। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে অতি দ্রুত রাস্তাটি সারাইয়ের জোরালো দাবি জানিয়েছেন এলাকার ক্ষুব্ধ মহিলারা ও বাসিন্দারা।1
- আজ ১১ই জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে ত্রিপুরার খোয়াইয়ের জাম্বুরার রঞ্জন রায় স্মৃতি ভবনে এক বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় এই অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের মধ্যে এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। মূলত বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের তাৎপর্য এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব নিয়ে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জাম্বুরা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিব চরণ দেববর্মার আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জিলা পরিষদের মাননীয় সদস্য শ্রী অনুকূল দাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুয়ারা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রীমতী নীলিমা দেবনাথ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাম্বুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান শ্রী সুশান্ত দেবনাথ। এছাড়াও 'গেস্ট অফ অনার' বা সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা শিক্ষা অফিসের ওএসডি শ্রী মাতিলাল দেববর্মা ও এসসিইআরটি (SCERT)-র পপুলেশন এডুকেশন সেলের ইন-চার্জ শ্রী সুবোধ কুমার মিশ্র সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন জাম্বুরা হাই স্কুলের এসএমসি (SMC) চেয়ারম্যান শ্রী অসিত দেবনাথ।4
- মান্দাইয়ের ভদ্রাই সেনাপতি পাড়া জে.বি স্কুলের চরম অব্যবস্থার চিত্র সামনে এসেছে। এই বিদ্যালয়ে ইএমআইএস থাকলেও মাথার ওপর কোনো ছাদ নেই। সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো স্কুলটি বৃষ্টির জলে ভেসে যাচ্ছে।1
- আগরতলার পর্যটন দপ্তরে পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মিলিত হলেন পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এই সভায় রাজ্যের পর্যটন শিল্পের বিকাশ, নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা, পর্যটন পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং পর্যটকদের জন্য আরও উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন যে ত্রিপুরায় পর্যটন শিল্পের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে বদ্ধপরিকর। বৈঠকে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন পরামর্শ ও সমস্যার কথা গুরুত্ব সহকারে শোনা হয় এবং সেগুলি দ্রুত সমাধানের आश्वासन দেওয়া হয়। অন্যদিকে, সভায় উপস্থিত বিনিয়োগকারীরাও পর্যটন খাতের উন্নয়নে তাঁদের বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ত্রিপুরাকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবাই একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।1
- রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব এবং শিল্পোন্নয়নের বাস্তব চিত্র নিয়ে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনায় সরব হয়েছে ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস। শনিবার আগরতলার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের নেতারা সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ, বিজেপি সরকার উন্নয়ন ও বিনিয়োগের নামে শুধুমাত্র প্রচারমুখী রাজনীতি করছে। বিজনেস কনক্লেভ নিয়েও সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র তোপ দাগেন নেতারা। তাদের দাবি, বাস্তবে রাজ্যে কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নের ক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিই হয়নি।1
- সিপাহীজলার জম্পুইজলা মহকুমার উত্তর চড়িলাম গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরান বাড়ি অঙ্গনওয়াড়ী সেন্টারে শনিবার উওর চড়িলাম উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়। এই সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন লাল সিং মুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিক মমতা সাহা, উত্তর চড়িলাম উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সি এইচ ও প্রত্যাশা ভৌমিক, এমওয়াইসি অর্পিতা ভৌমিক, আশা ফেসিলিটেটর বিউটি দেবনাথ এবং অন্যান্য আশা কর্মীরা। এই আলোচনা সভায় উত্তর চড়িলাম গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরান বাড়ি এলাকার স্থানীয় মহিলারাও অংশ নেন। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এই সচেতনতামূলক আলোচনা শেষে উপস্থিত মহিলাদের মধ্যে একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। যে সমস্ত মহিলারা কুইজের সঠিক উত্তর দিয়েছেন, তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে লাল সিং মুড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিক মমতা সাহা বর্তমান সময়ে কীভাবে জনসংখ্যা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এবং এ বিষয়ে মহিলাদের কীভাবে আরও সচেতন করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।1