Shuru
Apke Nagar Ki App…
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেএলও প্রধান জীবন সিংহের সঙ্গে শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত না হলে নির্বাচনে বিজেপিকে জবাব দেওয়া হবে হুশিয়ারি দিলেন কামতাপুর ন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠন।
Utpal Roy MNG
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেএলও প্রধান জীবন সিংহের সঙ্গে শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত না হলে নির্বাচনে বিজেপিকে জবাব দেওয়া হবে হুশিয়ারি দিলেন কামতাপুর ন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বুধবার দুপুর নাগাদ ময়নাগুড়ি নতুন বাজারে একটি দোকানে প্রকাশ্য দিবালোকে চুরির ঘটনা ঘটলো। স্থানীয় কিছু টোটো চালক বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সে স্বীকার করে নেয় চুরির ঘটনা। এরপরেই উত্তেজিত জনতা তাকে আটক করে খুঁটিতে বেঁধে রেখে মারধোর শুরু করে। পরবর্তীতে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। জানা গিয়েছে, ধৃত ওই যুবকের নাম শুভঙ্কর পান্ডে। তার বাড়ি ঘুঘুডাঙ্গা এলাকায়। এদিকে ঘটনার পরেই ময়নাগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ জমা করেন ওই দোকানের মালিক সঞ্জীব দাস। তিনি নতুন বাজারে খুচরো পান সুপারির দোকান করেন। সেই দোকান চালিয়েই নিজের সংসার চালান তিনি। কিন্তু তার দোকান থেকে বুধবার এক যুবক প্রায় ৫ কেজি সুপারির একটি প্যাকেট নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এরপরেই স্থানীয়রা তা আটকে দেন। এই বিষয়ে দোকান মালিক সঞ্জীব দাস বলেন," আমার ছোট পান সুপারির ব্যবসা আছে। দোকান প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে দিয়ে পুরান বাজারে মাল করতে গিয়েছিলাম। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানতে পারি।"1
- হুশিয়ারি দিলেন কামতাপুর ন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠন।1
- জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভার অন্তর্গত দক্ষিণ বেরুবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণে বড়সড় পরিবর্তন দেখা গেল। ওই এলাকার ২২টি পরিবারের প্রায় ৭০ জন বিজেপি কর্মী ও সমর্থক দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। বুধবার জলপাইগুড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জলপাইগুড়ি জেলা এসসি/ওবিসি তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি তথা জলপাইগুড়ি সদর, রাজগঞ্জ ও ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ী বিধানসভা কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর কৃষ্ণ দাসের হাত ধরে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে কৃষ্ণ দাস জানান, রাজ্যের উন্নয়ন ও মুখ্যমন্ত্রীর জনমুখী কাজের উপর আস্থা রেখেই তারা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। তিনি সকলকে নিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার বার্তাও দেন। নতুন যোগদানকারীরাও জানান, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই তারা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।1
- জঙ্গল পথে বন বস্তি এলকাতেও চলছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি।জঙ্গলের মাঝে বনবস্তিতে শোনা গেল বুটের আওয়াজ। ধূপগুড়ি বিধানসভার সোনাখালী বনবস্তিতে চলছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই বুথে অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল। সেজন্য ভোট ঘোষণার আগেই তৎপর প্রশাসন। অশান্তি এড়াতে ভোটারদের অভয় দিতে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দিচ্ছে জঙ্গল ঘেরা সোনাখালী বনবস্তিতে। ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি দেখে খুশি এলাকার ভোটাররা। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তি হয়েছিল, তবে তারা আশাবাদী এবার ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই হবে।1
- রাশিয়া-ইউক্রেন বা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের জেরে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি ।বিগত কয়েকদিন ধরেই সিলিন্ডার না মেলায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ জেলাবাসী।জলপাইগুড়িতেও পৌঁছে গেল জ্বালানি সংকটের আঁচ। বিগত কয়েক দিন ধরে রান্নার গ্যাসের অনিয়মিত সরবরাহের কারণে কার্যত হাহাকার পড়ে গিয়েছে শহরজুড়ে । বুধবার সকাল থেকেই ইন্দিরা গান্ধী কলোনি এলাকার গ্যাস গোডাউনে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়, তবে চাহিদার তুলনায় জোগান না থাকায় নিরাশ হয়ে ফিরতে হয় অধিকাংশ গ্রাহককে।গোডাউন কর্তৃপক্ষ এবং ভুক্তভোগী গ্রাহকদের মতে, বিশ্বজুড়ে চলতে থাকা অস্থির যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই সরবরাহে এই ব্যাঘাত ঘটছে । বর্তমানে এই সংকট কাটার কোনো নির্দিষ্ট আশ্বাস না মেলায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে মধ্যবিত্তের কপালে। এখন দেখার এই পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হয়।4
- ধুপগুড়িতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। একটি লরি ডিজেল ভর্তি গাড়িতে সরাসরি আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি থেকে ডিজেল পড়তে শুরু করে। সেই ডিজেল স্থানীয় নেবার জন্য হুড়োহুড়ি লেগে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ধুপগুড়ি থানার পুলিশ1
- Post by বাংলা খবর1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেএলও প্রধান জীবন সিংহের সঙ্গে শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত না হলে নির্বাচনে বিজেপিকে জবাব দেওয়া হবে। এমনই হুশিয়ারি দিলেন কামতাপুর ন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠন। বুধবার ময়নাগুড়ি শহরের দুর্গাবাড়ি এলাকা থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। যেখানে স্পষ্ট ভাষায় কেন্দ্র সরকার তথা বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমন করেন সংগঠনের নেতৃত্বরা। তারা জানান, যদি বিধানসভা নির্বাচনের আগে শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত না হয় তাহলে তারা বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপিকে ধরাশায়ী করে দেবেন। সাংবাদিক বৈঠকে আর কি কি জানালেন তারা শুনে নেওয়া যাক1