Shuru
Apke Nagar Ki App…
মালদা বিধানসভার উত্তেজনা প্রবন বুথ গুলি পরিদর্শন করলেন মালদার জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর ও পুলিশ সুপার অনুপম সিং। কথা বললেন সাধারণ মানুষের সাথে। মালদার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ২৩ তারিখ ভোটের দিন ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও তিন হাজারের বেশি রাজ্য পুলিশ মোতায়েন থাকবে মালদা জেলায়। নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণ ভোট কড়াই তাদের লক্ষ্য।
MALDA SABAR NEWS Shuru App
মালদা বিধানসভার উত্তেজনা প্রবন বুথ গুলি পরিদর্শন করলেন মালদার জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর ও পুলিশ সুপার অনুপম সিং। কথা বললেন সাধারণ মানুষের সাথে। মালদার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ২৩ তারিখ ভোটের দিন ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও তিন হাজারের বেশি রাজ্য পুলিশ মোতায়েন থাকবে মালদা জেলায়। নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণ ভোট কড়াই তাদের লক্ষ্য।
More news from Maldah and nearby areas
- মালদায় Himanta Biswa Sarma-র বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘তৃণমূলকে বদলানো দরকার’—জনসভায় উত্তেজনা তুঙ্গে #HimantaBiswaSarma #MaldaNews #MaldaPolitics #uttarbanganewslive #BJPWestBengal #TrinamoolCongress #WestBengalPolitics #Election2026 #BreakingNews #PoliticalUpdate #ViralNews #uttarbanganewslive #TrendingNow #NewsUpdate #IndiaPolitics #BanglaNews #LiveUpdate #FacebookViral #ReelsViral #ShareNow #MustWatch #HotNews #uttarbanganewslive1
- কান্দিতে বিজেপির ভোট প্রচারে বলিউড অভিনেত্রী তথা MP কঙ্গনা রানাউত। বলিউড অভিনেত্রী তিনি আবার সাংসদ । কান্দিতে বিজেপির প্রার্থী সমর্থনে রোড শো করলেন1
- তৃণমূলের সভা থেকে সিপিআইএম এবং কংগ্রেস কর্মীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন ডোমকলের তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবির। শনিবার এক কর্মীসভায় যদি হুমায়ুন কবির বলেন,সিপিআইএম বা কংগ্রেসের লোকজন যদি আমাদের কর্মীদের মারে তাহলে আপনারা মারবেন না। আমাকে ফোন করবেন বা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করবেন। আমি গিয়ে এমন মার মারবো। ওর পেছনের চামড়া ছাড়িয়ে ডুগডুগি তৈরি করে ওর বাড়ির সামনে বাজিয়ে আসবো। ডোমকল টাউন এবং ব্লক যুব কংগ্রেসের ডাকে নির্বাচনী সভা থেকে এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। তার এই মন্তব্যের পর উপস্থিত তৃণমূল কর্মীরা তাকে হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করেন। যদিও হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য করা নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। একজন প্রার্থী হয়ে কিভাবে তিনি বিরোধী শিবিরের কর্মীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করতে পারেন তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা নেয় কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।1
- নির্বাচনের আগে সাগরপাড়ায় কড়া নজরদারি! রুট মার্চে কাঁপল এলাকা, চাপে দুষ্কৃতীরা 🚨 বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নজির গড়ছে প্রশাসন। আজ বিকেলে সাগরপাড়ায় প্রায় ২০০-র বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও পুলিশের যৌথ শক্তিশালী রুট মার্চ এলাকায় তৈরি করল নিরাপত্তার কড়া বার্তা। 📍 সাগরপাড়া বিশ্বনাথ মন্দির থেকে শুরু হয়ে 📍 সাগরপাড়া বাজার 📍 রক্সির মোড় 📍 ২০ নম্বর সীতানগর এলাকা ঘুরে আবার বাজারে এসে শেষ হয় এই বিশাল রুট মার্চ। এই রুট মার্চে উপস্থিত ছিলেন ডোমকল এসডিপিও আইপিএস শুভম বাজাজ এবং সাগরপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। তাঁদের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর শৃঙ্খলাবদ্ধ উপস্থিতি এলাকাবাসীর নজর কেড়েছে এবং দুষ্কৃতীদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—নির্বাচনে কোনো অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। 🗳️ আগামী ২৩ এপ্রিলের বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই শক্তি প্রদর্শন বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এলাকাবাসীর কথায়— 👉 “এমন কড়া নিরাপত্তা দেখে এবার ভোট নিয়ে ভয় নেই, বরং ভরসা বেড়েছে।” নির্বাচনের আগে প্রশাসনের এই প্রস্তুতি সাগরপাড়ায় তৈরি করেছে নিরাপত্তা, আস্থা আর সতর্কতার স্পষ্ট পরিবেশ। জলঙ্গীর প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এমন বাস্তব ও এক্সক্লুসিভ খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক 👍, শেয়ার 🔁 এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না! 🔔 আলোকিত বাংলা সত্যের সাথে মানুষের পাশে1
- বৈশাখে ধর্মরাজ, শিবের গাজন ও পুজোয় ঢাক বাজিয়ে কিছু টাকা আয় করেন মুর্শিদাবাদ জেলার ঢাকিরা। এই সময় বাদ দিয়ে বছরের অন্য সময় অন্যের জমিতে চাষ করে তাঁরা দিন গুজরান করেন। তবে এবার নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দলের প্রচারে ঢাকিদের ডাক পড়ছে। ফলে কিছুটা বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন তাঁরা। ঢাকিরা জানান, একসময় শুধু বিজয় মিছিলেই ডাক আসত। তবে, গত কয়েক বছরে নির্বাচনি প্রচারে ও গণনার দিনেও ডাক আসে। সব দলই তাঁদের প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করে যাচ্ছে।গাজন ও অন্য ধর্মীয় উৎসবে বছরভর তাঁদের ডাক আসে। চৈত্র থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত আমাদের বরাত মেলে। সারা বছরের রোজগারের অনেকটাই এই সময় হয়। দুর্গাপুজোর সময়ও এত রোজগার হয় না। গাজনে গেলে থাকা ও খাওয়া বাদে একজনের প্রায় হাজার চারেক টাকা আয় হয়। এবছর নির্বাচন থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই ঢাকিদের প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে। কীরকম পারিশ্রমিক মেলে? এক জন ঢাকি বলেন, গত বিধানসভা ভোটেও আমাদের প্রচারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।সেবার যাতায়াত ও খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে ৮০০-১০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।সোমনাথ দাস বলেন, আমাদের ছোটোবেলায় ভোটের সময় কোনো রাজনৈতিক দলের এত বর্ণাঢ্য প্রচার দেখা যেত না। তবে, এখন ঢাক সহ তাসাপার্টি থাকছে। ফলে, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির কয়েকদিন ভালো রোজগার হচ্ছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীর প্রচারে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ঢাকিদেরও ডাকা হচ্ছে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাক বাজানোয় অনেক বদল আসছে। নিত্যানন্দ পাল বলেন,গাজনের বাজনা, আরতির বাজনা আর নির্বাচনি প্রচারের বাজনা এক নয়। প্রতিটির পৃথক ধারা বা তাল আছে। গাজন,ভোট উৎসবের কারণে আমাদের রোজগার বাড়বে। তবে, ভোট তো আর প্রতি বছর থাকে না।1
- রাতের অন্ধকারে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে : বড়ঞায় আত্মঘাতী হলেন স্বামী। সাত সকালেই ভয়ংকর ঘটনার সাক্ষী থাকলো মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার পছিপাড়া গ্রাম।জানা গেছে শনিবার রাত্রে স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে ঝামেলা সৃষ্টি হয় তাপসী দাস নামের বছর ৪২ -এর এই গৃহবধুর। মৃত গৃহবধুর পরিবারের অভিযোগ প্রথমে গৃহবধূকে মারধর করা হয় পরবর্তীতে মুখে কাপড় আটকে স্বাসরুদ্ধ করা হয় এবং মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য বাড়িতে থাকা সবজির বঠিঁ দিয়ে একের পর এক কোপ মারা হয়। প্রতিবেশী ও মৃতের পরিবারের।অভিযোগ, মৃত এই গৃহবধুকে স্বামী ও শাশুড়ি দুই জন মিলে খুন করে পরবর্তীতে তাপস দাস নামের অভিযুক্ত ওই স্বামী নিজেও হতাশগ্রস্ত অবস্থায় বাড়িতেই গলায় বাড়িতেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়। রবিবার সকাল হতেই এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বড়ঞা থানার পুলিশ সহ গ্ৰামের বাসিন্দারা। পুলিশ দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে, ঘটনায় মৃত স্বামী ও স্ত্রীর এক সন্তান সহ শাশুরি কে আটক করেছে বড়ঞা থানার পুলিশ।1
- মালদা বিধানসভার উত্তেজনা প্রবন বুথ গুলি পরিদর্শন করলেন মালদার জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর ও পুলিশ সুপার অনুপম সিং। কথা বললেন সাধারণ মানুষের সাথে। মালদার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ২৩ তারিখ ভোটের দিন ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও তিন হাজারের বেশি রাজ্য পুলিশ মোতায়েন থাকবে মালদা জেলায়। নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণ ভোট কড়াই তাদের লক্ষ্য।1
- "ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের কৌতুয়ালি অঞ্চলে বামফ্রন্ট প্রার্থী অম্বর মিত্র শনিবার সকালে শক্তিশালী নির্বাচনী প্রচারে নেমেছেন। তিনি দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে মিছিল ও বাড়ি বাড়ি প্রচার চালিয়ে সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনেছেন এবং সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অম্বর মিত্র রাজ্যের পরিস্থিতি ও জনগণের ইস্যু তুলে ধরে বামফ্রন্টকে প্রকৃত বিকল্প হিসেবে তুলে ধরেন, বিশেষ করে কর্মসংস্থান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি। এদিনের প্রচারে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো ছিল, যা আসন্ন নির্বাচনে ভাল ফলাফলের আশাবাদ জুগিয়েছে।”1
- তৃণমূলের সভা থেকে সিপিআইএম এবং কংগ্রেস কর্মীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন ডোমকলের তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবির। শনিবার এক কর্মীসভায় যদি হুমায়ুন কবির বলেন,সিপিআইএম বা কংগ্রেসের লোকজন যদি আমাদের কর্মীদের মারে তাহলে আপনারা মারবেন না। আমাকে ফোন করবেন বা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করবেন। আমি গিয়ে এমন মার মারবো। ওর পেছনের চামড়া ছাড়িয়ে ডুগডুগি তৈরি করে ওর বাড়ির সামনে বাজিয়ে আসবো। ডোমকল টাউন এবং ব্লক যুব কংগ্রেসের ডাকে নির্বাচনী সভা থেকে এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। তার এই মন্তব্যের পর উপস্থিত তৃণমূল কর্মীরা তাকে হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করেন। যদিও হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য করা নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। একজন প্রার্থী হয়ে কিভাবে তিনি বিরোধী শিবিরের কর্মীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করতে পারেন তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা নেয় কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।1