রাতের অন্ধকারে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে : বড়ঞায় আত্মঘাতী হলেন স্বামী রাতের অন্ধকারে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে : বড়ঞায় আত্মঘাতী হলেন স্বামী। সাত সকালেই ভয়ংকর ঘটনার সাক্ষী থাকলো মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার পছিপাড়া গ্রাম।জানা গেছে শনিবার রাত্রে স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে ঝামেলা সৃষ্টি হয় তাপসী দাস নামের বছর ৪২ -এর এই গৃহবধুর। মৃত গৃহবধুর পরিবারের অভিযোগ প্রথমে গৃহবধূকে মারধর করা হয় পরবর্তীতে মুখে কাপড় আটকে স্বাসরুদ্ধ করা হয় এবং মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য বাড়িতে থাকা সবজির বঠিঁ দিয়ে একের পর এক কোপ মারা হয়। প্রতিবেশী ও মৃতের পরিবারের।অভিযোগ, মৃত এই গৃহবধুকে স্বামী ও শাশুড়ি দুই জন মিলে খুন করে পরবর্তীতে তাপস দাস নামের অভিযুক্ত ওই স্বামী নিজেও হতাশগ্রস্ত অবস্থায় বাড়িতেই গলায় বাড়িতেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়। রবিবার সকাল হতেই এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বড়ঞা থানার পুলিশ সহ গ্ৰামের বাসিন্দারা। পুলিশ দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে, ঘটনায় মৃত স্বামী ও স্ত্রীর এক সন্তান সহ শাশুরি কে আটক করেছে বড়ঞা থানার পুলিশ।
রাতের অন্ধকারে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে : বড়ঞায় আত্মঘাতী হলেন স্বামী রাতের অন্ধকারে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে : বড়ঞায় আত্মঘাতী হলেন স্বামী। সাত সকালেই ভয়ংকর ঘটনার সাক্ষী থাকলো মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার পছিপাড়া গ্রাম।জানা গেছে শনিবার রাত্রে স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে ঝামেলা সৃষ্টি হয় তাপসী দাস নামের বছর ৪২ -এর এই গৃহবধুর। মৃত গৃহবধুর পরিবারের অভিযোগ প্রথমে গৃহবধূকে মারধর করা হয় পরবর্তীতে মুখে কাপড় আটকে স্বাসরুদ্ধ করা হয় এবং মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য বাড়িতে থাকা সবজির বঠিঁ দিয়ে একের পর এক কোপ মারা হয়। প্রতিবেশী ও মৃতের পরিবারের।অভিযোগ, মৃত এই গৃহবধুকে স্বামী ও শাশুড়ি দুই জন মিলে খুন করে পরবর্তীতে তাপস দাস নামের অভিযুক্ত ওই স্বামী নিজেও হতাশগ্রস্ত অবস্থায় বাড়িতেই গলায় বাড়িতেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়। রবিবার সকাল হতেই এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বড়ঞা থানার পুলিশ সহ গ্ৰামের বাসিন্দারা। পুলিশ দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে, ঘটনায় মৃত স্বামী ও স্ত্রীর এক সন্তান সহ শাশুরি কে আটক করেছে বড়ঞা থানার পুলিশ।
- রাতের অন্ধকারে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে : বড়ঞায় আত্মঘাতী হলেন স্বামী। সাত সকালেই ভয়ংকর ঘটনার সাক্ষী থাকলো মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার পছিপাড়া গ্রাম।জানা গেছে শনিবার রাত্রে স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে ঝামেলা সৃষ্টি হয় তাপসী দাস নামের বছর ৪২ -এর এই গৃহবধুর। মৃত গৃহবধুর পরিবারের অভিযোগ প্রথমে গৃহবধূকে মারধর করা হয় পরবর্তীতে মুখে কাপড় আটকে স্বাসরুদ্ধ করা হয় এবং মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য বাড়িতে থাকা সবজির বঠিঁ দিয়ে একের পর এক কোপ মারা হয়। প্রতিবেশী ও মৃতের পরিবারের।অভিযোগ, মৃত এই গৃহবধুকে স্বামী ও শাশুড়ি দুই জন মিলে খুন করে পরবর্তীতে তাপস দাস নামের অভিযুক্ত ওই স্বামী নিজেও হতাশগ্রস্ত অবস্থায় বাড়িতেই গলায় বাড়িতেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়। রবিবার সকাল হতেই এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বড়ঞা থানার পুলিশ সহ গ্ৰামের বাসিন্দারা। পুলিশ দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে, ঘটনায় মৃত স্বামী ও স্ত্রীর এক সন্তান সহ শাশুরি কে আটক করেছে বড়ঞা থানার পুলিশ।1
- বৈশাখে ধর্মরাজ, শিবের গাজন ও পুজোয় ঢাক বাজিয়ে কিছু টাকা আয় করেন মুর্শিদাবাদ জেলার ঢাকিরা। এই সময় বাদ দিয়ে বছরের অন্য সময় অন্যের জমিতে চাষ করে তাঁরা দিন গুজরান করেন। তবে এবার নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দলের প্রচারে ঢাকিদের ডাক পড়ছে। ফলে কিছুটা বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন তাঁরা। ঢাকিরা জানান, একসময় শুধু বিজয় মিছিলেই ডাক আসত। তবে, গত কয়েক বছরে নির্বাচনি প্রচারে ও গণনার দিনেও ডাক আসে। সব দলই তাঁদের প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করে যাচ্ছে।গাজন ও অন্য ধর্মীয় উৎসবে বছরভর তাঁদের ডাক আসে। চৈত্র থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত আমাদের বরাত মেলে। সারা বছরের রোজগারের অনেকটাই এই সময় হয়। দুর্গাপুজোর সময়ও এত রোজগার হয় না। গাজনে গেলে থাকা ও খাওয়া বাদে একজনের প্রায় হাজার চারেক টাকা আয় হয়। এবছর নির্বাচন থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই ঢাকিদের প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে। কীরকম পারিশ্রমিক মেলে? এক জন ঢাকি বলেন, গত বিধানসভা ভোটেও আমাদের প্রচারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।সেবার যাতায়াত ও খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে ৮০০-১০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।সোমনাথ দাস বলেন, আমাদের ছোটোবেলায় ভোটের সময় কোনো রাজনৈতিক দলের এত বর্ণাঢ্য প্রচার দেখা যেত না। তবে, এখন ঢাক সহ তাসাপার্টি থাকছে। ফলে, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির কয়েকদিন ভালো রোজগার হচ্ছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীর প্রচারে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ঢাকিদেরও ডাকা হচ্ছে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাক বাজানোয় অনেক বদল আসছে। নিত্যানন্দ পাল বলেন,গাজনের বাজনা, আরতির বাজনা আর নির্বাচনি প্রচারের বাজনা এক নয়। প্রতিটির পৃথক ধারা বা তাল আছে। গাজন,ভোট উৎসবের কারণে আমাদের রোজগার বাড়বে। তবে, ভোট তো আর প্রতি বছর থাকে না।1
- কান্দিতে বিজেপির ভোট প্রচারে বলিউড অভিনেত্রী তথা MP কঙ্গনা রানাউত। বলিউড অভিনেত্রী তিনি আবার সাংসদ । কান্দিতে বিজেপির প্রার্থী সমর্থনে রোড শো করলেন1
- কান্দিতে ভোট প্রচারে সাংসদ, অভিনেত্রী কঙ্কনা রানাওয়াত। রবিবার কান্দির বিজেপি প্রার্থী গার্গী দাস ঘোষের সমর্থনে রোড শো করেন কঙ্কনা রানাওয়াত। এদিন কান্দির নামে কঙ্কনা রানাওয়াতের হেলিকপ্টার। এরপরই বিজেপি প্রার্থীকে সাথে নিয়ে শুরু করেন প্রচার। অভিনেত্রীকে দেখতে অনুগামীদের ভির দেখা যায়।1
- তৃণমূলের সভা থেকে সিপিআইএম এবং কংগ্রেস কর্মীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন ডোমকলের তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবির। শনিবার এক কর্মীসভায় যদি হুমায়ুন কবির বলেন,সিপিআইএম বা কংগ্রেসের লোকজন যদি আমাদের কর্মীদের মারে তাহলে আপনারা মারবেন না। আমাকে ফোন করবেন বা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করবেন। আমি গিয়ে এমন মার মারবো। ওর পেছনের চামড়া ছাড়িয়ে ডুগডুগি তৈরি করে ওর বাড়ির সামনে বাজিয়ে আসবো। ডোমকল টাউন এবং ব্লক যুব কংগ্রেসের ডাকে নির্বাচনী সভা থেকে এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। তার এই মন্তব্যের পর উপস্থিত তৃণমূল কর্মীরা তাকে হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করেন। যদিও হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য করা নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। একজন প্রার্থী হয়ে কিভাবে তিনি বিরোধী শিবিরের কর্মীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করতে পারেন তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা নেয় কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।1
- Post by SUROJ ROY1
- কাটোয়া বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী সঞ্জীব কুমার দাসের সমর্থনে একটি পথনাটিকা অনুষ্ঠিত হলো ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় কাটোয়া পানুহাট ইদারাপারে। এই পথনাটিকার মধ্য দিয়ে সাম্প্রতিক সময়ের বেশ কিছু টুকরো টুকরো ঘটনাকে এক ফ্রেমে কোলাজ করে পরিবেশন করা হয়। ব্যবসায়ী দোকানদার থেকে শুরু করে পথ চলতি মানুষ রাস্তার দু'ধারে দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন এই নাটক।1
- শ্বশুরবাড়িতে জামাই প্রার্থীকে ঘিরে আবেগের জোয়ার : সালারে পুনাশি গ্রামে জনসংযোগের নয়া নজির সুমনের। রাজ্যের প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনের রণভেরি বাজতে আর মাত্র চারদিন বাকি, তার আগেই প্রচারের শেষ লগ্নে ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্র চষে বেড়াচ্ছেন। বিশেষ করে ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের শিমুলিয়া পঞ্চায়েতের পুনাসি ও সোনারুন্দি গ্রামে তাঁর উপস্থিতি এক অন্য মাত্রা যোগ করেছে। পুনাসি গ্রাম প্রার্থীর নিজস্ব শ্বশুরবাড়ি হওয়ায় এদিন প্রচারের মেজাজ ছিল উৎসবের মতো। গোটা গ্রামের মানুষের কণ্ঠে তখন একটাই ধ্বনি, সব ভোট জামাইকে দিন। এলাকার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাসে আপ্লুত প্রার্থী সুমন। হুডখোলা গাড়ির প্রথাগত আড়ম্বর ছেড়ে বেছে নিয়েছেন নিবিড় জনসংযোগের পথ। প্রার্থীর কথায়, সাধারণত অন্যান্য প্রার্থীরা গাড়িতে চেপে প্রচার করেন, কিন্তু আমার লক্ষ্য ছিল প্রতিটি অলিতে-গলিতে পৌঁছে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা। প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা পায়ে হেঁটে কভার করেছি, বাকিটুকুও এই ক’দিনে শেষ হবে। ঘরের ছেলেকে কাছে পেয়ে ভোটারদের এই উন্মাদনা ভরতপুরের নির্বাচনী লড়াইয়ে তৃণমূল প্রার্থীকে যে বাড়তি অক্সিজেন জোগাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।1