Shuru
Apke Nagar Ki App…
কান্দিতে ভোট প্রচারে অভিনেত্রী কঙ্কনা রানাওয়াত, বিজেপি প্রার্থীকে সাথে নিয়ে করলেন প্রচার কান্দিতে ভোট প্রচারে সাংসদ, অভিনেত্রী কঙ্কনা রানাওয়াত। রবিবার কান্দির বিজেপি প্রার্থী গার্গী দাস ঘোষের সমর্থনে রোড শো করেন কঙ্কনা রানাওয়াত। এদিন কান্দির নামে কঙ্কনা রানাওয়াতের হেলিকপ্টার। এরপরই বিজেপি প্রার্থীকে সাথে নিয়ে শুরু করেন প্রচার। অভিনেত্রীকে দেখতে অনুগামীদের ভির দেখা যায়।
Chiranjit ghosh
কান্দিতে ভোট প্রচারে অভিনেত্রী কঙ্কনা রানাওয়াত, বিজেপি প্রার্থীকে সাথে নিয়ে করলেন প্রচার কান্দিতে ভোট প্রচারে সাংসদ, অভিনেত্রী কঙ্কনা রানাওয়াত। রবিবার কান্দির বিজেপি প্রার্থী গার্গী দাস ঘোষের সমর্থনে রোড শো করেন কঙ্কনা রানাওয়াত। এদিন কান্দির নামে কঙ্কনা রানাওয়াতের হেলিকপ্টার। এরপরই বিজেপি প্রার্থীকে সাথে নিয়ে শুরু করেন প্রচার। অভিনেত্রীকে দেখতে অনুগামীদের ভির দেখা যায়।
- Xtxßmxhlx। x x। bxDomkal, Murshidabad😤1 hr ago
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কান্দিতে ভোট প্রচারে সাংসদ, অভিনেত্রী কঙ্কনা রানাওয়াত। রবিবার কান্দির বিজেপি প্রার্থী গার্গী দাস ঘোষের সমর্থনে রোড শো করেন কঙ্কনা রানাওয়াত। এদিন কান্দির নামে কঙ্কনা রানাওয়াতের হেলিকপ্টার। এরপরই বিজেপি প্রার্থীকে সাথে নিয়ে শুরু করেন প্রচার। অভিনেত্রীকে দেখতে অনুগামীদের ভির দেখা যায়।1
- তৃণমূলের সভা থেকে সিপিআইএম এবং কংগ্রেস কর্মীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন ডোমকলের তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবির। শনিবার এক কর্মীসভায় যদি হুমায়ুন কবির বলেন,সিপিআইএম বা কংগ্রেসের লোকজন যদি আমাদের কর্মীদের মারে তাহলে আপনারা মারবেন না। আমাকে ফোন করবেন বা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করবেন। আমি গিয়ে এমন মার মারবো। ওর পেছনের চামড়া ছাড়িয়ে ডুগডুগি তৈরি করে ওর বাড়ির সামনে বাজিয়ে আসবো। ডোমকল টাউন এবং ব্লক যুব কংগ্রেসের ডাকে নির্বাচনী সভা থেকে এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। তার এই মন্তব্যের পর উপস্থিত তৃণমূল কর্মীরা তাকে হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করেন। যদিও হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য করা নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। একজন প্রার্থী হয়ে কিভাবে তিনি বিরোধী শিবিরের কর্মীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করতে পারেন তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা নেয় কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।1
- তৃণমূলের সভা থেকে সিপিআইএম এবং কংগ্রেস কর্মীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন ডোমকলের তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবির। শনিবার এক কর্মীসভায় যদি হুমায়ুন কবির বলেন,সিপিআইএম বা কংগ্রেসের লোকজন যদি আমাদের কর্মীদের মারে তাহলে আপনারা মারবেন না। আমাকে ফোন করবেন বা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করবেন। আমি গিয়ে এমন মার মারবো। ওর পেছনের চামড়া ছাড়িয়ে ডুগডুগি তৈরি করে ওর বাড়ির সামনে বাজিয়ে আসবো। ডোমকল টাউন এবং ব্লক যুব কংগ্রেসের ডাকে নির্বাচনী সভা থেকে এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। তার এই মন্তব্যের পর উপস্থিত তৃণমূল কর্মীরা তাকে হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করেন। যদিও হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য করা নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। একজন প্রার্থী হয়ে কিভাবে তিনি বিরোধী শিবিরের কর্মীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করতে পারেন তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের এমন মন্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা নেয় কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।1
- Post by SUROJ ROY1
- বৈশাখে ধর্মরাজ, শিবের গাজন ও পুজোয় ঢাক বাজিয়ে কিছু টাকা আয় করেন মুর্শিদাবাদ জেলার ঢাকিরা। এই সময় বাদ দিয়ে বছরের অন্য সময় অন্যের জমিতে চাষ করে তাঁরা দিন গুজরান করেন। তবে এবার নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দলের প্রচারে ঢাকিদের ডাক পড়ছে। ফলে কিছুটা বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন তাঁরা। ঢাকিরা জানান, একসময় শুধু বিজয় মিছিলেই ডাক আসত। তবে, গত কয়েক বছরে নির্বাচনি প্রচারে ও গণনার দিনেও ডাক আসে। সব দলই তাঁদের প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করে যাচ্ছে।গাজন ও অন্য ধর্মীয় উৎসবে বছরভর তাঁদের ডাক আসে। চৈত্র থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত আমাদের বরাত মেলে। সারা বছরের রোজগারের অনেকটাই এই সময় হয়। দুর্গাপুজোর সময়ও এত রোজগার হয় না। গাজনে গেলে থাকা ও খাওয়া বাদে একজনের প্রায় হাজার চারেক টাকা আয় হয়। এবছর নির্বাচন থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই ঢাকিদের প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে। কীরকম পারিশ্রমিক মেলে? এক জন ঢাকি বলেন, গত বিধানসভা ভোটেও আমাদের প্রচারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।সেবার যাতায়াত ও খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে ৮০০-১০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।সোমনাথ দাস বলেন, আমাদের ছোটোবেলায় ভোটের সময় কোনো রাজনৈতিক দলের এত বর্ণাঢ্য প্রচার দেখা যেত না। তবে, এখন ঢাক সহ তাসাপার্টি থাকছে। ফলে, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির কয়েকদিন ভালো রোজগার হচ্ছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীর প্রচারে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ঢাকিদেরও ডাকা হচ্ছে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাক বাজানোয় অনেক বদল আসছে। নিত্যানন্দ পাল বলেন,গাজনের বাজনা, আরতির বাজনা আর নির্বাচনি প্রচারের বাজনা এক নয়। প্রতিটির পৃথক ধারা বা তাল আছে। গাজন,ভোট উৎসবের কারণে আমাদের রোজগার বাড়বে। তবে, ভোট তো আর প্রতি বছর থাকে না।1
- বিস্ফোরক অভিষেক!সীমান্তে টার্গেট গেরুয়া , বিজেপি জিতলে পরিণতি নিয়ে হুঁশিয়ারি, তুমুল সোরগোল রাজনৈতিক মহলে। শনিবার মুর্শিদাবাদে ঝটিকা সফরে একাধিক স্থানে এসে কলকাতা ফেরার পথে নবাব নগরী লালবাগের বুকে হাজির হয়ে তৃণমূলের তরফে অভিষেক ব্যানার্জি টার্গেট করলো গেরুয়াকে। সেইমত মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী করলে ভয়ানক পরিণতির হুঁশিয়ারিও শোনালেন তিনি সাংবাদিকদের সামনেই। অভিষেক বলেন, আপনারা সকলেই জানেন গত বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদ এই আসন দুটিতে বিজেপি জয়লাভ করেছিল। এবারও যদি তারা কোনভাবে যেতে তাহলে পরিণতি মোটেও ভালো হবে না। তাহলে পর্যটকরা এই জেলাতে আসবেনা। কোনভাবেই বিজেপিকে এখানে জেতানো যাবে না এটা সকলে মাথায় রাখবেন। স্বাভাবিকভাবে অভিষেকের এমন আক্রমণাত্মক হুঁশিয়ারি রীতিমতো রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা সৃষ্টি করেছে।1
- শ্বশুরবাড়িতে জামাই প্রার্থীকে ঘিরে আবেগের জোয়ার : সালারে পুনাশি গ্রামে জনসংযোগের নয়া নজির সুমনের। রাজ্যের প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনের রণভেরি বাজতে আর মাত্র চারদিন বাকি, তার আগেই প্রচারের শেষ লগ্নে ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্র চষে বেড়াচ্ছেন। বিশেষ করে ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের শিমুলিয়া পঞ্চায়েতের পুনাসি ও সোনারুন্দি গ্রামে তাঁর উপস্থিতি এক অন্য মাত্রা যোগ করেছে। পুনাসি গ্রাম প্রার্থীর নিজস্ব শ্বশুরবাড়ি হওয়ায় এদিন প্রচারের মেজাজ ছিল উৎসবের মতো। গোটা গ্রামের মানুষের কণ্ঠে তখন একটাই ধ্বনি, সব ভোট জামাইকে দিন। এলাকার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাসে আপ্লুত প্রার্থী সুমন। হুডখোলা গাড়ির প্রথাগত আড়ম্বর ছেড়ে বেছে নিয়েছেন নিবিড় জনসংযোগের পথ। প্রার্থীর কথায়, সাধারণত অন্যান্য প্রার্থীরা গাড়িতে চেপে প্রচার করেন, কিন্তু আমার লক্ষ্য ছিল প্রতিটি অলিতে-গলিতে পৌঁছে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা। প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা পায়ে হেঁটে কভার করেছি, বাকিটুকুও এই ক’দিনে শেষ হবে। ঘরের ছেলেকে কাছে পেয়ে ভোটারদের এই উন্মাদনা ভরতপুরের নির্বাচনী লড়াইয়ে তৃণমূল প্রার্থীকে যে বাড়তি অক্সিজেন জোগাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।1
- নির্বাচনী প্রচারে বহরমপুরে এসে পৌঁছলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার আজাহারউদ্দিন। শনিবার সকাল ১০ টা নাগাদ বহরমপুর স্টেডিয়ামে হেলিকোপ্টারে করে এসে পৌঁছান আজাহারউদ্দিন। তারপর বহরমপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে আসেন তিনি। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে বহরমপুর বিধানসভার দৌলতাবাদে, রাণীনগর বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় এবং মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে রোড শো করবেন তিনি বলে জানা গিয়েছে।3