আলিপুরদুয়ারে মনোজিৎ নাগ বাসস্ট্যান্ডের সংস্কারের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজের সূচনা l আলিপুরদুয়ার শহরের গুরুত্বপূর্ণ গণপরিবহণ কেন্দ্র মনোজিৎ নাগ বাসস্ট্যান্ডে শুরু হলো সংস্কারের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রান্সপোর্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড (WBTIDC)-এর আর্থিক সহযোগিতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংস্কারকাজের সূচনা করা হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাসস্ট্যান্ডটিকে আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ করা হবে। এর মধ্যে যাত্রীদের জন্য উন্নত অপেক্ষালয়, আধুনিক শৌচাগার, আলো ও পানীয় জলের ব্যবস্থা, বাস পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামার সুবিধা উন্নত করা সহ একাধিক কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের মতে, আলিপুরদুয়ার শহর ও আশপাশের এলাকায় প্রতিদিন বহু যাত্রী এই বাসস্ট্যান্ড ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছিল। সেই কারণেই ধাপে ধাপে বাসস্ট্যান্ডের উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের আশা, এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে যাত্রীদের সুবিধা বাড়বে এবং শহরের পরিবহণ ব্যবস্থাও আরও সুসংগঠিত হবে। পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার শহরের সামগ্রিক অবকাঠামোগত উন্নয়নেও এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
আলিপুরদুয়ারে মনোজিৎ নাগ বাসস্ট্যান্ডের সংস্কারের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজের সূচনা l আলিপুরদুয়ার শহরের গুরুত্বপূর্ণ গণপরিবহণ কেন্দ্র মনোজিৎ নাগ বাসস্ট্যান্ডে শুরু হলো সংস্কারের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রান্সপোর্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড (WBTIDC)-এর আর্থিক সহযোগিতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংস্কারকাজের সূচনা করা হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাসস্ট্যান্ডটিকে আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ করা হবে। এর মধ্যে যাত্রীদের জন্য উন্নত অপেক্ষালয়, আধুনিক শৌচাগার, আলো ও পানীয় জলের ব্যবস্থা, বাস পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামার সুবিধা উন্নত করা সহ একাধিক কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের মতে, আলিপুরদুয়ার শহর ও আশপাশের এলাকায় প্রতিদিন বহু যাত্রী এই বাসস্ট্যান্ড ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছিল। সেই কারণেই ধাপে ধাপে বাসস্ট্যান্ডের উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের আশা, এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে যাত্রীদের সুবিধা বাড়বে এবং শহরের পরিবহণ ব্যবস্থাও আরও সুসংগঠিত হবে। পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার শহরের সামগ্রিক অবকাঠামোগত উন্নয়নেও এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
- User9173Mathabhanga - I, Coochbehar🤝on 13 March
- ভেটাগুড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে দলবদল, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ ১জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও ৩ পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী সহ একাধিক নেতা1
- বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে দিনহাটায় এলেন রাজ্যের বিশেষ অবজারভার সুব্রত গুপ্ত এবং পুলিশ অবজারভার এন কে মিশ্রা। বুধবার তারা দিনহাটা থানায় এসে পৌঁছন। এদিন তারা দিনহাটা থানায় এসে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক প্রশান্ত দেবনাথ ও আইসি বুধাদিত্য রায়ের সাথে বৈঠক করেন। যাতে বিধানসভা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায় সে ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনের কর্তাদের সাথে আলোচনা করেন। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুব্রত গুপ্ত বলেন, বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়ন করা হবে সে বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয় বলে তিনি জানান। এদিন একদিকে পুলিশ প্রশাসনে আধিকারিকদের সাথে কথা বলেন তারা। পাশাপাশি দিনহাটা মহকুমা শাসক দপ্তরে এসে মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিকদের সাথেও কথা বলতে দেখা যায় তাদের।1
- মাথাভাঙ্গায় নির্বাচনী উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহে বিজেপি প্রার্থী Nisith Pramanik বিভিন্ন ওয়ার্ডে জোরদার ভোট প্রচারে নামলেন। ঘরে ঘরে পৌঁছে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি, তুলে ধরেন দলের উন্নয়নের বার্তা। প্রচারে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, ফলে এলাকাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। ভোটের আগে নিশিথের এই প্রচার ঘিরে মাথাভাঙ্গার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে শীতলকুচিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নজিরবিহীন কড়াকড়ি। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার মোতায়েন করা হয়েছে বুলেটপ্রুফ এমবিপিভি, যা বিশেষভাবে আনা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর থেকে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অতীতে শীতলকুচিতে ভোটকে কেন্দ্র করে একাধিক অশান্তির ঘটনার প্রেক্ষিতে এবার কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এই অত্যাধুনিক সুরক্ষিত গাড়ি মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে।1
- কালচিনি বিধানসভায় অব্যাহত বিজেপির যোগদান কর্মসূচি। বুধবার বিধানসভার মাঝেরডাবরী চা বাগানে ৬৫ জন পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন।এদিন বিজেপি জেলা সম্পাদক অলোক মিত্রের উপস্থিতিতে এই যোগদান কর্মসূচি হয়। মূলত শ্রমিক মহল্লার মহিলা ও যুবকেরা এদিন বিজেপিতে যোগদান করেছে বলে জানান তিনি।1
- সিতাই বিধানসভার ভেটাগুড়ি ২ নং অঞ্চলের বিজেপি প্রার্থী আশুতোষ বর্মা ও সিতাই কনভেনার দীপক কুমার রায় হাত ধরে তিনজন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। গৌতম সেন, উদয় বর্মন, রবীন্দ্র পাল, সমিতি বিমল দে তিনজন পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী।1
- অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার মধ্যেই বড় ধরনের প্রশাসনিক গাফিলতি সামনে এসেছে, যা ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। ভোটকর্মীদের একাংশ জানান, উপস্থিতির তালিকায় তাঁদের নামের পাশে “পোস্টাল ব্যালট নট একসেপ্টেড ” বলে উল্লেখ রয়েছে। ফলে তাঁরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে যান। এই ধরনের ভুল তথ্য কীভাবে তালিকায় এল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তাঁদের দাবি, আগে থেকে কোনও স্পষ্ট নির্দেশ বা ব্যাখ্যা না থাকায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে হঠাৎ এই বিষয়টি জানতে পেরে চরম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এদিকে, এই সমস্যার জেরে বহু ভোটকর্মীকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় এবং একাধিক দফায় কর্তৃপক্ষের কাছে দৌড়ঝাঁপ করতে হয়। অভিযোগ, নির্দিষ্ট কোনও হেল্পডেস্ক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের তরফে সঠিক দিশা না মেলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ফলে মানসিক চাপ ও হয়রানির শিকার হতে হয় তাঁদের। ভোটকর্মীদের একাংশের কথায়, নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল দায়িত্বের ক্ষেত্রে এ ধরনের অব্যবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। প্রশিক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্বেই যদি এই ধরনের গাফিলতি থাকে, তাহলে ভোটের দিন কীভাবে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন সম্ভব হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান ও স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ভোটকর্মীরা।1
- নববর্ষে রঙের উৎসব, কোচবিহার শহীদ বাগে চিত্র প্রদর্শনীতে ভিড়।1
- বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারে নেমে মনিষী পঞ্চানন বর্মার জন্মভিটায় প্রণাম করে বহুজন সমাজবাদী পার্টির শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শ্যামসুন্দর রায় । জানা যায়, এদিন তিনি প্রথমে পঞ্চানন বর্মার জন্মস্থানে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সেখান থেকেই নির্বাচনী জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করেন। প্রার্থী শ্যামসুন্দর রায় জানান, “যদি আমি শীতলকুচি বিধানসভা থেকে জয়ী হই, তাহলে পঞ্চানন বর্মার এই জন্মভিটাকে বাড়ি হিসেবে নয়, একটি মন্দির হিসেবে গড়ে তোলা হবে।” পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এবারের নির্বাচনে শীতলকুচির মানুষ একটি নতুন মুখকে দেখতে চলেছেন এবং পরিবর্তনের পক্ষে সাড়া মিলছে বলেও জানান। নির্বাচনের আগে এই প্রতিশ্রুতি ও জনসংযোগ কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।1