রাজ্যপাল আর. এন. রবির আসন্ন মালদা সফরকে ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে। জানা গেছে, তিনি পুরাতন মালদার শর্বরী এলাকায় অবস্থিত গুরুদুয়ারা এবং কালাচাঁদ স্কুল মাঠে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। রাজ্যপালের সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে শনিবার পরিদর্শনে যান মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং। তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক রায়, ডিএসপি (ট্রাফিক) মুঙ্গেস সুব্বা, মালদা থানার আইসি গোপাল বিশ্বাস-সহ পুলিশ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। এই পরিদর্শনের সময়, আধিকারিকরা অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের সুবিধার বিষয়গুলি পর্যালোচনা করেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে, রাজ্যপালের সফর সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
রাজ্যপাল আর. এন. রবির আসন্ন মালদা সফরকে ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে। জানা গেছে, তিনি পুরাতন মালদার শর্বরী এলাকায় অবস্থিত গুরুদুয়ারা এবং কালাচাঁদ স্কুল মাঠে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। রাজ্যপালের সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে শনিবার পরিদর্শনে যান মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং। তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক রায়, ডিএসপি (ট্রাফিক) মুঙ্গেস সুব্বা, মালদা থানার আইসি গোপাল বিশ্বাস-সহ পুলিশ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। এই পরিদর্শনের সময়, আধিকারিকরা অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের সুবিধার বিষয়গুলি পর্যালোচনা করেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে, রাজ্যপালের সফর সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
- রবিবার, ২১শে জুন, দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস সারা দেশের পাশাপাশি মালদা জেলাতেও বিভিন্ন যোগচর্চার কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষে মালদা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মালদা শহরের সত্য চৌধুরী ইনডোর স্টেডিয়ামে একটি আন্তর্জাতিক যোগ দিবস অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এই অনুষ্ঠানে জেলাশাসক রাজেনবীর সিং কাপুর, জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারী এবং বহু সাধারণ মানুষকে নিয়ে আয়োজিত যোগ শিবিরে অংশ নেন এবং নানা ধরনের যোগাভ্যাস ও প্রাণায়াম করেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সকলের উদ্দেশ্যে শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তির জন্য নিয়মিত যোগচর্চার বার্তা তুলে ধরা হয়।1
- মুর্শিদাবাদের চৈতন্যপুর প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রটিকে ঘিরে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের সংস্কার ও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এখন কার্যত জরাজীর্ণ অবস্থায় পৌঁছেছে, যার প্রতিবাদে এলাকাবাসী হাসপাতাল চত্বরেই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন এবং পরিষেবা চালুর দাবি জানিয়েছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, হাসপাতালটিকে অনলাইনে ১০ শয্যার স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো পরিকাঠামোই নেই। চিকিৎসক ও নার্সরা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকেন না, এবং উপস্থিত থাকলেও রোগীরা যথাযথ চিকিৎসা পান না। হাসপাতালের বিভিন্ন ঘর ভেঙে পড়ার মুখে এবং চত্বর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঝোপঝাড়ে ঢেকে গিয়ে প্রায় 'ভূতুড়ে হাসপাতাল'-এ পরিণত হয়েছে। এর ফলে সামান্য কারণে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধ্য হন পরিজনেরা। স্থানীয়রা ক্ষোভের সঙ্গে জানান যে, এক সহৃদয় জমিদার হাসপাতাল নির্মাণের জন্য জমি দান করেছিলেন, যা একসময় এলাকার মানুষের চিকিৎসার লাইফলাইন ছিল, কিন্তু বর্তমানে অবহেলা ও প্রশাসনের উদাসীনতায় সেই ঐতিহ্য ধ্বংসের মুখে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা স্বাভাবিক করতে গ্রামবাসীরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের মূল দাবিগুলি হলো: অবিলম্বে হাসপাতালের ইনডোর এবং আউটডোর পরিষেবা পুরোপুরি চালু করতে হবে; গ্রামীণ হাসপাতালের উপযুক্ত পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাতে হবে; এবং হাসপাতালের জমি যাতে বেদখল না হয়, তার জন্য অবিলম্বে বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।1
- রাজ্যে তৃণমূলের ভোটের ভরাডুবির পর একের পর এক নেতা-কর্মীর দলত্যাগ ও ক্ষুব্ধ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদানের হিড়িক শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রবিবার পানাগড় বাজারে কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে এক মেগা যোগদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। এদিন কাঁকসার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জাটগড়িয়া গ্রামের প্রায় ১৫০ জন তৃণমূল ও সিপিআইএম কর্মী জাতীয় কংগ্রেস দলে যোগদান করেছেন। এই যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী, কাঁকসা ব্লকের কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি পুরব ব্যানার্জি, জেলার সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ বিশ্বাস, ব্লকের কার্যকরী সভাপতি মোজাম্মেল হক সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। যোগাদানকারীদের হাতে কংগ্রেসের দলীয় পতাকা তুলে দেন জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী। জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষ এখন কংগ্রেসকেই পছন্দ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে বিজেপি হোক বা তৃণমূল, উভয় দলই এখন ধর্মের বিভাজন শুরু করেছে। তাই রাজ্য ও দেশকে বাঁচাতে কংগ্রেসই একমাত্র ভরসা। তিনি আরও দাবি করেন যে, বহু মানুষ কংগ্রেসে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং আগামী দিনে বিবেচনা করে তাদেরও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যোগদান করানো হবে। এই যোগদান কর্মসূচির ফলে আগামী দিনে কংগ্রেস দল আরও শক্তিশালী হবে এবং যেকোনো নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির সঙ্গেই কংগ্রেসের মূল লড়াই হবে, যেখানে কংগ্রেস ভালো ফল করবে বলে তিনি আশাবাদী।1
- রবিবার বিশ্বজুড়ে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস মহাসমারোহে পালিত হয়েছে, যেখানে দেশজুড়েও ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। এই উদযাপনে পশ্চিমবঙ্গও সামিল ছিল। এবছর যোগ দিবসের মূল আকর্ষণ ছিল কলকাতার রেড রোড, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে বিশাল আকারে যোগাভ্যাসের আয়োজন করা হয়। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। বীরভূম জেলার নলহাটি থানাতেও আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে থানার আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশ কর্মীরা সকলে মিলিতভাবে যোগাসনে অংশগ্রহণ করেন। শরীর ও মন সুস্থ রাখতে যোগাভ্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং উপস্থিত সমস্ত থানার আধিকারিকগণ প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার কাপাসডাঙ্গা অঞ্চলের মানিকনগর গ্রামে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কর্মস্থলে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৪ বছর বয়সী স্থানীয় যুবক ইসমাইল শেখ। তিনি কামাল শেখের পুত্র এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য ছিলেন। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার নবগ্রাম থানার নারকেলবাগান গ্রামে একটি বাড়ির নির্মাণকাজে রাজমিস্ত্রি হিসেবে কর্মরত ছিলেন ইসমাইল। ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলার সময় হঠাৎ মাথার ওপর দিয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে চলে আসেন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন ইসমাইল। দুর্ঘটনার পর সহকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করলেও, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। পরে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিবার ও এলাকাজুড়ে গভীর শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাত্র ২৪ বছর বয়সে ইসমাইলের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা ভেঙে পড়েছেন। স্থানীয়রা আরও দাবি করেছেন যে, তিনি ছিলেন হতদরিদ্র পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য, যার ফলে তার মৃত্যুর পর পরিবারটি চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা তাই প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, নির্মাণকাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবিও জোরালোভাবে উঠেছে। এই ঘটনা কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।1
- রাজ্যপাল আর. এন. রবির আসন্ন মালদা সফরকে ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে। জানা গেছে, তিনি পুরাতন মালদার শর্বরী এলাকায় অবস্থিত গুরুদুয়ারা এবং কালাচাঁদ স্কুল মাঠে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। রাজ্যপালের সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে শনিবার পরিদর্শনে যান মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং। তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক রায়, ডিএসপি (ট্রাফিক) মুঙ্গেস সুব্বা, মালদা থানার আইসি গোপাল বিশ্বাস-সহ পুলিশ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। এই পরিদর্শনের সময়, আধিকারিকরা অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের সুবিধার বিষয়গুলি পর্যালোচনা করেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে, রাজ্যপালের সফর সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে গাজোলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে একটি মহতী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। পান্ডুয়া এ. কে. হাইস্কুলে এই মানবিক কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ দিবসে একটি মানবিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায় এক অভিনব উপায়ে সুস্থ থাকার এই মহোৎসব পালিত হয়েছে। চিরাচরিত মাঠ বা হলের চার দেওয়ালের পরিবর্তে, এবার ফরাক্কার গঙ্গা বক্ষে নবনির্মিত নতুন সেতুতে এক মনোরম যোগ শিবিরের আয়োজন করা হয় ফরাক্কা ব্লক প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগে। আজ সকালে ভোরের আলো ফুটতেই ব্লকের প্রশাসনিক আধিকারিক, কর্মী, বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দলে দলে ফরাক্কার এই নতুন সেতুতে এসে উপস্থিত হন। গঙ্গার প্রবহমান হাওয়া এবং মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশকে সাক্ষী রেখে একসঙ্গে বহু মানুষ যোগাসনে অংশ নেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যের সচেতনতা বাড়াতে এবং দৈনন্দিন জীবনে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গঙ্গার ওপর এই অভিনব পরিবেশে যোগ অভ্যাস করতে পেরে ফরাক্কাবাসী স্বাভাবিকভাবেই দারুণ উচ্ছ্বসিত। গোটা অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার শান্তিনিকেতনে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি প্রথমে বিশ্বভারতীর গৌর প্রাঙ্গনে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বিজেপির উদ্যোগে বোলপুরের ডাকবাংলো ময়দানে আয়োজিত যোগ দিবসের কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিট পরীক্ষা নিয়ে বলেন যে, কোনো গাফিলতি বা লিকেজ বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে সিবিআই তদন্ত করা হবে। এরপর বোলপুরে তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন পদ থেকে তৃণমূল নেতাদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দাবি করেন যে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর অনেকেই আর পদে থাকতে আগ্রহী নন। একই সঙ্গে কয়লা ও বালি দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, যারা এতদিন নানা ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের এখন আর সেই সব কাজে আগ্রহ নেই বলেই পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে। তৃণমূলের নিচুতলার কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার প্রসঙ্গ তুলে ডঃ মজুমদার বলেন যে, অনেক কর্মী নাকি মামলা চালানোর খরচ জোগাড় করতে পারছেন না। সেই প্রসঙ্গেই তিনি ব্যঙ্গের সুরে কটাক্ষ করেন যে, যারা মামলার খরচ বহন করতে পারছেন না তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমানের বিভিন্ন অংশ খুলে এনে বিক্রি করে দিতে পারেন। এমনকি তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামাকাপড় বিক্রির কথাও উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, বোলপুরে বিজেপির আদি ও নব্য কর্মীদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ডঃ সুকান্ত মজুমদার তা অস্বীকার করেন। তিনি জোরালভাবে বলেন যে, বিজেপিতে কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই, বিজেপির একটাই গোষ্ঠী, সেটি হল পদ্মফুলের গোষ্ঠী। তার দাবি, যে কেউ এই গোষ্ঠীর বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই দলের বাইরে চলে যাবেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য, জনগণের সমর্থন হারালে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক অস্তিত্বও সংকটে পড়বে। পাশাপাশি নিয়োগ ও শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাম বারবার উঠে আসছে বলেও তিনি দাবি করেন। ডঃ মজুমদারের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1