Shuru
Apke Nagar Ki App…
হরিহরপাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল গাড়ি, আহত কয়েকজন হরিহরপাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল গাড়ি, আহত কয়েকজন মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার চুয়া নতুনপাড়া এলাকায় সোমবার রাতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল একটি গাড়ি। জানা যায়, কাপড়ের ব্যবসা করে ১০৭ গাড়িতে বাড়ি ফেরার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি রাস্তার উপর উল্টে যায়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
Maminul Islam
হরিহরপাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল গাড়ি, আহত কয়েকজন হরিহরপাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল গাড়ি, আহত কয়েকজন মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার চুয়া নতুনপাড়া এলাকায় সোমবার রাতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল একটি গাড়ি। জানা যায়, কাপড়ের ব্যবসা করে ১০৭ গাড়িতে বাড়ি ফেরার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি রাস্তার উপর উল্টে যায়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by সত্য দর্পণ1
- তাল গাছ থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু শ্রমিকের : অথৈ জলে ভরতপুরের খড়িন্দা গ্রামের দুঃস্থ পরিবার। সাতসকালে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার লড়াইয়ে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু সেই যাত্রাই যে শেষ যাত্রা হবে তা কল্পনাও করতে পারেনি পরিবার। বুধবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ভরতপুর ব্লকের খড়িন্দা গ্রামের বাসিন্দা বছর ৩৬ এর প্রশান্ত বিত্তেল নামের এক ব্যক্তি তাল গাছে কাজ করতে উঠে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান। স্থানীয়দের তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা অবস্থার অবনতি দেখে তাকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, হাসপাতালের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর কয়েক মিটার আগেই মাঝরাস্তায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। মৃত প্রশান্তবাবু অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য ছিলেন। বাড়িতে তার বিধবা মা বিপদ বিত্তেল, স্ত্রী শ্রাবণী বিত্তেল এবং দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। জানা গেছে, অভাবের সংসারে তার স্ত্রী অন্যের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে কোনোমতে দিন গুজরান করেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তির এই আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো গ্রাম শোকস্তব্ধ। খবর পেয়ে ভরতপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এক নিমেষে সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়া এই দুস্থ পরিবারটির ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তার মুখ।1
- নাকাশিপাড়া বেথুয়ারীর অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান দশভূজা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি-র উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে শুরু হলো বিশেষ কর্মসূচি। বুধবার সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ বস্ত্র দানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়। ২০১৭ সাল থেকে পথচলা শুরু এই সংগঠনের—সমাজের বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজে নিয়মিত এগিয়ে আসছেন তারা। কয়েকজন মহিলার হাত ধরে শুরু হওয়া এই সংস্থা, কর্ণধার শাশ্বতী দাস চ্যাটার্জী-র নেতৃত্বে আজ একটি বড় পরিবারে পরিণত হয়েছে। গত কয়েক বছরে বহু মানুষ এই সোসাইটি-র সঙ্গে যুক্ত হয়ে সমাজসেবার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নতুন বছরের শুরুতেই ভালো কাজের মাধ্যমে সমাজের পাশে থাকার বার্তা দিল দশভূজের ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। 📹 স্পট বাংলার ক্যামেরায় ধরা পড়ল সেই মানবিক মুহূর্ত। 👉 Spot Bangla Media-এর সাথে থাকুন, পাশে থাকুন। চ্যানেলটি লাইক, শেয়ার ও সাবস্ক্রাইব করুন।1
- আজ রঘুনাথগঞ্জের অন্তর্গত কাঁসাইডাঙ্গা অঞ্চলে Asaduddin Owaisi সাহেবের আগমনে জনসমুদ্রের সৃষ্টি হয়। চারিদিকে মানুষের উচ্ছ্বাস আর উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিয়েছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে তার প্রতি কতটা সমর্থন ও ভালোবাসা রয়েছে। কাঁসাইডাঙ্গার মাটিতে আজকের এই ভিড় যেন নতুন এক রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে।1
- বাংলায় নির্বাচন, বিধানসভার নির্বাচন। ধীরে ধীরে নির্বাচনের উত্তাপ বাড়ছে। চলছে জনমত সমীক্ষা। কি বলছে কলকাতার আবাঙালি সমাজ? তারা কাকে চাই? মোদী না দিদি?1
- *ভোটের আগে ‘গ্রাউন্ড জিরো’-তে জেলা শাসক- পুলিশ সুপার! স্পর্শকাতর বুথ সহ এলাকায় পরিদর্শনে জেলা প্রশাসন। ভোটের আগে ‘গ্রাউন্ড জিরো’-তে নেমে পড়ল প্রশাসন। নদিয়া জেলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৎপরতা এখন তুঙ্গে। লক্ষ্য একটাই— যেন কোনোভাবেই অশান্তি বা সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি না হয়, আর সাধারণ ভোটাররা নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। বুধবার সকালে জেলা শাসক শ্রাকন্ত পাল্লী এবং কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার ওয়াইং রঘুবংশীয় একযোগে জেলার একাধিক স্পর্শকাতর বুথ ও অশান্তিপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন। বিশেষ করে কৃষ্ণনগরের নাজিরা পাড়া এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বুথে গিয়ে খতিয়ে দেখা হয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আশপাশের পরিবেশ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি। শুধু পরিদর্শনেই থেমে থাকেননি আধিকারিকরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের সমস্যা, অভিজ্ঞতা এবং উদ্বেগের কথাও শোনেন তাঁরা। এলাকায় কোনো ভয়ভীতি বা রাজনৈতিক চাপ রয়েছে কি না, তা বিস্তারিতভাবে জানার চেষ্টা করা হয়। জেলা শাসক স্পষ্ট জানিয়ে দেন— ভোট দেওয়া প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার, আর সেই অধিকার প্রয়োগে কোনো রকম বাধা বরদাস্ত করা হবে না। অন্যদিকে পুলিশ সুপার আশ্বাস দেন, স্পর্শকাতর বুথগুলিতে বাড়ানো হবে পুলিশ মোতায়েন, টহল এবং নজরদারি। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তাও নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে জেলার সমস্ত বুথকে সুপার সেনসেটিভ, ক্রিটিক্যাল, ভলনারেবল এবং নরমাল— এই চার ভাগে ভাগ করে নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তবে ভোটের দিন পরিস্থিতি কেমন থাকে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা নদিয়া জেলা।1
- Post by সত্য দর্পণ1
- ভোটের দামামা বাজছে... আর জলঙ্গীতে সিপিআই(এম)-এর ঝড় উঠছে! 🔥💪 ভোট যত এগোচ্ছে, ইয়ানুস আলী সরকার ততই ময়দান কাঁপিয়ে দিচ্ছেন! জলঙ্গীর ৭৬ নম্বর বিধানসভায় সিপিআই(এম) প্রার্থী ইয়ানুস আলী সরকার বুধবার সকাল থেকেই পুরোদমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন জনসংযোগে। কাটাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের কাটাবাড়ি বাজার থেকে শুরু করে রাজাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২ নম্বর বুথ — সর্বত্র তাঁর তুমুল প্রচার! বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনছেন, তাদের সমস্যা মন দিয়ে শুনছেন এবং স্পষ্ট আশ্বাস দিচ্ছেন — “ভোটে জিতলে আমি তোমাদের পাশে থাকবো, প্রতিটি দিন, প্রতিটি সমস্যায়!” গ্রামের রাস্তায়-ঘাটে, মাটির সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন ইয়ানুসদা। শয়ে শয়ে, হাজারে হাজারে কর্মী-সমর্থক তাঁর সঙ্গে ঢল নামিয়ে হাঁটছেন। প্রতিটি এলাকায় দেখা যাচ্ছে বিপুল জনসমর্থন আর উচ্ছ্বাস! মানুষ বলছেন — “ইয়ানুস আলী আমাদের লোক। আমাদের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন। এবার জলঙ্গীতে বদল আসবেই!” জলঙ্গীতে এখন একটাই স্লোগান উঠছে — ইয়ানুস আলীকে চাই! 🌾❤️ ভোট হবে ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ফল ঘোষণা ৪ঠা মে। শেষ পর্যন্ত কী হয় দেখার জন্য অপেক্ষা করতেই হবে... কিন্তু এখন যা হাওয়া বইছে, তাতে জলঙ্গীতে লাল ঝড়ের সম্ভাবনা প্রবল! আলোকিত বাংলা সত্যের সাথে মানুষের পাশে1
- ভরতপুরের আলুগ্রাম অঞ্চলের একাধিক গ্রামে : জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকে মঙ্গলবার দিনভর বর্ণাঢ্য নির্বাচনী প্রচার চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। এ দিন আলুগ্রাম অঞ্চলের করাইল গ্রাম থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বর্ণাঢ্য এই প্রচার অভিযান শুরু হয়, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে পুষ্পবৃষ্টি, মিষ্টিমুখ ও ফুলের মালায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বাজনার তালে কর্মীদের উল্লাস আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে এদিন আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে। প্রার্থী কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং রাজারামপুর, মন্ডলপুর, চুঁয়াতোর, আঙ্গারপুর, আলুগ্রাম, সুনিয়া, মদনপুর ও মাসলা সহ একাধিক গ্রামের অলিতে-গলিতে ঢুকে ৮ থেকে ৮০ তথা সর্বস্তরের মানুষের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেন। এই নিবিড় জনসংযোগ অভিযানে প্রার্থীর পাশে থেকে পা মিলিয়েছেন অঞ্চল সভাপতি নিছার উদ্দিন সেখ, জেলা পরিষদ সদস্য বাবর আলী সেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সালমা সুলতানা ও তাঁর স্বামী সেলিম সেখ, এবং পঞ্চায়েত প্রধান জাহিরুল সেখ সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব। গ্রামবাসীর উপচে পড়া ভিড় আর কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী নির্বাচনে তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।1